ডিজিটাল মার্কেটিং কি?

বর্তমান সময়ে ক্যারিয়ার, পেশা বা একজন ফ্রীল্যান্সার হিসাবে ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা আকাশচুম্বী বলা যায়।বাংলাদেশী কোম্পানি গুলোতে প্রতিনিয়তই ডিজিটাল মার্কেটিং চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।দেশীয় কোম্পানি গুলোর পাশাপাশি ইন্টারন্যাশাল মার্কেটেও ডিজিটাল মার্কেটিং রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে মূলত ডিজিটাল মিডিয়া এবং ডিজিটাল টেকনোলজি ব্যবহার করে অনলাইনে কোন পণ্য বা সার্ভিস এর মার্কেটিং ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা। ইন্টারনেটের উপর ভিত্তি করে কোন পণ্য বা সার্ভিস এর প্রচার প্রচারণা করাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলে।

আপনি জেনে অবাক হবেন বর্তমানে ৮৪% মার্কেটার তাদের পণ্য বিক্রয় করার জন্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। ৫৫% ক্রেতা পণ্য ক্রয় করার জন্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উপর নির্ভরশীল। ই-কমার্সের ৪৩% ক্রেরা সরাসরি গুগলে সার্চ করে ওয়েবসাইট এ আসে। ৫১% ক্রেতা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য অনলাইন থেকে কিনে থাকে। কোন পণ্য কেনার আগে ৭০% ক্রেতা সেই পণ্যে যাচাই বাচাই করে অনলাইনে।অনলাইন মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে ৮২% ক্রেতা ৫ মিনিট সময়ের মধ্যে বিক্রেতার সাথে লাইভ চ্যাটে কথা বলতে চান। তাই সময় এখন ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে চিন্তা করার।আপনার প্রডাক্টকে আরো উন্নত করে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব অপরিসীম 

ডিজিটাল মার্কেটিং এর ইতিহাস? 

এই প্রশ্নটি অনেকেই করে থাকেন যে, ডিজিটাল মার্কেটিং এর শুরুটা আসলে কিভাবে? ধরা হয় ১৯৯০ সালে সার্চ ইঞ্জিন আর্চির যখন যাত্রা শুরু করে তখন থেকেই মুলত ডিজিটাল মার্কেটিং এর যাত্রা শুরু। ডিজিটাল মার্কেটিং এর যাত্রাটা বুঝতে হলে আগে ডিজিটাল মার্কেটিং টাইমলাইনটা দেখতে হবে।চলুন এক নজরে পড়ে ফেলি ডিজিটাল মার্কেটিং টাইমলাইন ঃ 

– ১৯৯০ সালে কয়েকশো ওয়েবসাইট লিস্টিং এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন  আর্চির যাত্রা শুরু

– ১৯৯৪ সালে AT&T এর প্রথম ক্লিকেবল ওয়েব এড ব্যানার রিলিজ, প্রথমবারের মতো ইকমার্স ট্রানসেকশন হয় নেটমার্কেট-এ এবং ইয়াহু তাদের কার্যক্রম শুরু করে

– ১৯৯৬ সালে HotBot, LookSmart, এবং Alexa রিলিজ করে ছোট ছোট সার্চ ইঞ্জিন বট। এই সার্চ ইঞ্জিন বট বা স্পাইডার নিজে নিজে ওয়েবে রিলিজ হওয়া ডাটা কালেক্ট করা শুরু করে।

– ১৯৯৭ সালে প্রথম সোশ্যাল মিডিয়া সাইট SixDegreee.com এর যাত্রা শুরু হয় যখনো কিনা মাইক্রোসফট এর MSN এবং গুগলের যাত্রা শুরু হয়নি।

– ১৯৯৮ সালে ইয়াহুতে যুক্ত হয় ওয়েব সার্চ অপশন এবং যাত্রা শুরু হয় গুগল সার্চ ইঞ্জিন এবংমাইক্রোসফট এর MSN এর।

– ২০০০ সাল থেকে ওয়েব জগতে রেভ্যুলুশন শুরু হয়। ইন্টারনেটের ইউজার ডাবল হয়ে যায়,

– ২০০১ এ প্রথম মোবাইল মার্কেটিং ক্যাম্পেইন চালু করে ইউনিভার্সাল মিউজিক।

– ২০০২ এ চালু হয় লিঙ্কডইন,

– ২০০৩ এ ওয়ার্ডপ্রেস এবং মাইস্পেস এর যাত্রা শুরু হয়।

– ২০০৪ এ জিমেইল নিয়ে আসে গুগল, একই বছর ফেইসবুক প্রাথমিকভাবে শুরু করে তাদের কার্যক্রম।

– ২০০৫ এ গুগল নিয়ে আসে ইউটিউব।

– ২০০৬ এ শুরু হয় টুইটার এর যাত্রা, এবং মাইক্রোসফট চালু করে লাইভ সার্চ। সাথে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল মার্কেটিং এ স্প্লিট টেস্টিং এর চর্চা শুরু হয়।

– ২০০৭ এ টাম্বলার এবং আইফোন লঞ্চ হয়।

– ২০০৯ এ গুগলের ইন্সটেন্ট সার্চ রেজাল্ট চালু হয়। এবং একই বছর বন্ধ হয় গুগলের এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক।

– ২০১০ সালে গুগল বাজ এবং হোয়াটসএপপ চালু হয়।

– ২০১১ তে গুগল বাজ সাটডাউন হয়, সাথে চালু হয় গুগল প্লাস এবং রিলিজ হয় গুগল পান্ডা।

– ২০১২ তে গুগলের নলেজ গ্রাফ চালু হয়, এবং সোশ্যাল মিডিয়া বাজেট ৬৪% ছাড়িয়ে যায়।

– ২০১৪ তে মোবাইলের ইন্টারনেট ইউজারের সংখ্যা পিসির ইন্টারনেট ইউজার এর সংখ্যা ছাড়িয়ে ফেলে। ফেইসবুক হোয়াটসএপ কিনে নেয়, এবং ফেইসবুক মেসেঞ্জার লঞ্জ করে, লিঙ্কডইন টেইলর্ড এড ফিচার যুক্ত করে।

– ২০১৫ তে স্ন্যাপচ্যাট ডিসকোভার ফিচার যুক্ত করে।

– ২০১৬ তে ফেইসবুক লাইভ এর যাত্রা শুরু।

আপনি জেনে অবাক হবেন বর্তমানে সারা বিশ্বে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৫.১১ বিলিয়ন  এবং এটি প্রতি নিয়তই বৃদ্ধি পাচ্ছে। আন্ড্রয়েট ফোন ব্যবহারকারী বৃদ্ধি পাওয়া মানে ইন্টারনেট ইউজার বৃদ্ধি পাওয়া।অপর দিকে ইন্টারনেট ইউজার বৃদ্ধি পাওয়া মানে, ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা এবং গুরুত্ব বৃদ্ধি পাওয়া। 

ডিজিটাল মার্কেটিং এর শাখা প্রশাখা সমূহ ঃ

ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভিতর আরো অনেক গুলো শাখা-প্রশাখা রয়েছে যে গুলো একটাতে আপনি দক্ষ হতে পারলে আপনি একটি স্মার্ট ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবেন। ডিজিটাল মার্কেটিং জনপ্রিয় শাখা প্রশাখা গুলো হলঃ 

১। সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং বা এসএমএম ঃ বর্তমান সময়ে আমর সবচেয়ে বেশি সময় ব্যয় করে থাকি আমাদের সোসাল মিডিয়া গুলোতে। ফেসবুক,ইন্সটাগ্রাম,টুইটার,লিংকডিন,হোয়াটস আপ, স্ন্যাপচ্যাটের মত প্ল্যাটফর্ম গুলোতে আমরা আমাদের দিনের অনেক সময় দিয়ে থাকি। আর যে প্রক্রিয়ায় আমরা এই সকল প্ল্যাটফর্ম গুলোতে মার্কেটিং করে থাকি তাকেই বলা হয়  সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং বা এসএমএম ।সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং এর ভিরত দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে টিকটক এবং ইন্সটাগ্রামের মত প্ল্যাটফর্ম গুলো । 

২। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও ঃ সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান বা SEO মূলত একটি ওয়েবসাইটকে গুগল, ইয়াহু বিং বা অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিনে অনুসন্ধান করে ফলাফলগুলি পর্যালোচনা করে সবার প্রথমে নিয়ে আসার জন্যে কাজ করা হয়। আজকের প্রতিযোগিতার বাজারে পণ্যের মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে এসইও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রয়েছে। এসইওর মাধ্যমে আপনার পণ্যকে গুগল সার্চের সবচাইতে উপরে নিয়ে আসা যায়, এর ফলে আপনার পণ্যের বিক্রিও বৃদ্ধি পায় কারন বর্তমানে মানুষ কোন পণ্য কেনার আগে গুগল থেকে সার্চ করে তারপর সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও ভিতর আবার ২টি ভাগ রয়েছে ১। অন পেজ এসইও ২।অফ পেজ এসইও 

৩।সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং বা এসইএম ঃ  সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং বা এসইএম ডিজিটাল মার্কেটিং ধারুন একটি জিনিস। আপনার ব্যবসার জন্যে খুব সহজেই বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন এই সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং বা এসইএম ব্যবহার করে।সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং পেইড মার্কেটিং এর অন্তরগত। আপনার ব্যবসার গঠনশৈলী এবং ষ্ট্র্যাটেজির উপর ভিত্তি করে সাধারনত এ ধরনের মার্কেটিং করা হয়। এক্ষেত্রে কোন PPC (পে-পার-ক্লিক করুন) অথবা সিপিসি (খরচ প্রতি ক্লিকে) মডেল বা সিপিএম (খরচ প্রতি হাজার ইমপ্রেশন) মডেল নির্বাচন করতে হবে। এসইএম সাধারনত বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের হয়ে থাকে। যেমন-গুগুলের AdWords এবং বিং বিজ্ঞপ্তি (গুগল নেটওয়ার্কে), ইয়াহু বিং নেটওয়ার্ক সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়।

৪।কনটেন্ট মার্কেটিং ঃ বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় মার্কেটিং মেথড গুলোর মধ্যে কনটেন্ট মার্কেটিং অন্যতম। তবে কনটেন্ট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে আপনার কনটেন্টটিকে অবশ্যই ইউনিক হতে হবে। ইউনিক কনটেন্ট গুলোকে কাষ্টমার এবং প্ল্যাটফর্ম সব সময় পছন্দ করে।  

৫।ইমেইল মার্কেটিং ঃ ইমেইল মার্কেটিং হল ইমেইলের মাধ্যমে কাষ্টমারকে বিভিন্ন অভার এবং সার্ভিস গুলোর কথা বলা। ইন্টারন্যাশাল মার্কেটপ্লেসে ইমেইল মার্কেটিং ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ইমেইল মার্কেটিং এর জন্য জনপ্রিয় সফটওয়্যার গুলো হচ্ছেঃ

Aweber

Mail Chimp

Get Response

৬।অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ঃঅ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং একটি অসাধারণ বিষয়। আপনি যখন আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং স্কিল টা ব্যাবহার করে অন্য কারও প্রডাক্ট অথবা সার্ভিস কমিশন ভিত্তিক প্রমোশন করবেন সেটা হবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এমন কোন বিষয় নয় যেখানে আপনি রাতারাতি খুব বেশি কিছু করে ফেলতে পারবেন। এখানে তারাই সফল হবে যারা ধৈর্য সহকারে কাজ করে যেতে পারবে।

৭। মোবাইল SMS মার্কেটিং ঃ  বর্তমানে সারা বিশ্বে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৫.১১ বিলিয়ন  এবং এটি প্রতি নিয়তই বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই মোবাইল ফোনকে কেন্দ্র করে মার্কেটিং এরও অনেক প্রসার ঘটছে। মোবাইল ফোনে মেসেজ দিয়ে কাষ্টমারে সাথে এনগেজমেন্ট বাড়িয়ে সেল জেনারেট করা একটি সুন্দর এবং জনপ্রিয় মার্কেটিং মেথড।

৮।ই-কমার্স মার্কেটিং ঃ আমাদের দেশের একটি সারা জাগানো সেক্টর হল ই-কমার্স সেক্টর যেখানে র‍য়েছে প্রচুর তরুণ উদ্যোক্তা। আর অনলাইনে আপনি যে ব্যবসায় শুরু করেন নাহ কেন আপনার কিন্তু অবশ্যই মার্কেটিং লাগবে।আর এখন মার্কেটিং মানেই হল ডিজিটাল মার্কেটিং। তাই ই-কমার্সের বিস্তারের সাথে সাথেই ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে।  

উপরের সেক্টর গুলো বাদেও ডিজিটাল মার্কেটিং এর আরো বেশ কিছু সেক্টর রয়েছে যেমন ভাইরাল মার্কেটিং, ওয়েব এনালিটিক্স, ইন্টারেক্টিভ মার্কেটিং ইত্যাদি। আপনি এগুলোর যে কোন একটি দক্ষতা অর্জন করে যে কোন মার্কেটপ্লেস বা কোম্পানির জন্যে কাজ শুরু করে দিতে পারেন।   

ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ কেমন 

বর্তমান সময়ের সবচেয়ে গ্রোইং সেক্টর গুলোর মধ্যে অন্যতম হল ডিজিটাল মার্কেটিং। ২০২০ সালে এসে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মার্কেট সাইজ প্রায় ৩৬০-৩৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং প্রতিনিয়তই এই মার্কেটটি বড় হচ্ছে। যত নতুন নতুন ব্যবসার জন্ম হচ্ছে এই পৃথিবীতে তত ডিজিটাল মার্কেটিং চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। তাই ক্যারিয়ার হিসেবে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ অনেক অনেক উজ্জল এবং সূদরপ্রসারী। 

ডিজিটাল মার্কেটিং এ ক্যারিয়ার গড়তে করণীয় গুলো কি কি?

ডিজিটাল মার্কেটিং এ ক্যারিয়ার গড়তে হলে আপনার করণীয় গুলো খুবই সহজ প্রথমে আপনাকে উপরের বর্নিত টপিক গুলোর একটিতে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।দক্ষতা অর্জন হয়ে গেলে মার্কেটপ্লেস বা কোম্পানির জন্যে কাজ শুরু করতে হবে। আপনি যদি খুব দুর্বল ছাত্র হয়ে বা থাকেন তবে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে আপনি ৬ মাসের মধ্যে আর্নিং শুরু করতে পারবেন বলে আশা করছি। এই ২০২০ সালে এসে আপনি যদি ডিজিটাল মার্কেটিং এ দক্ষ হন তবে আপনার কাজের অভাব হবে না এতটুকু গ্যারান্টি আমরা আপনাকে দিচ্ছি। 

ডিজিটাল মার্কেটার থেকে উদ্যোক্তা ঃ 

বাংলাদেশে এমন অনেক তরুণ ডিজিটাল মার্কেটার রয়েছেন যারা শুধু মার্কেটপ্লস বা কোম্পানিতে কাজ করেই থেমে থাকেনি তারা নিজেদের একটা ব্যবসাও দাঁড় করিয়ে ফেলেছে এবং কিছু মানুষের কর্মসংস্থানও করেছে। তারা এটা কিভাবে করেছে সেটাই বলব এখন। একজন মার্কেটার মার্কেটপ্লেস বা লোকাল মার্কেটে অনেক দিন কাজ করার পর তার কিছু ফিক্সড ক্লাইন্ট হয়ে যায় এবং তখন সে রেগুলার তাদের কাজ করতে থাকে ।তাকে তখন নতুন করে আর কাজ খুঁজতে হয় না।এখন একজন মার্কেটার যার অনেক গুলো ফিক্সড ক্লাইন্ট আছে সে চাইলে তার সেই কাজ গুলো অন্য কাউকে হারার করে করাতে পারে এবং সেই কাজের পারিশ্রমিক সেখান থেকে একটা অংশ সে যাকে হারায় করেছে তাকে দিতে পারে।সে যেহেতু এখন কাজ অন্যকাউকে দিয়ে করাচ্ছে তাই এখন তার অনেক সময় এবং এই সময়টাতেই সে তার অভিজ্ঞতা এবং কাজের রেফারেন্স দিয়ে আরো নতুন নতুন ক্লাইন্টকে নিয়ে আসবে তার কাছে।এভাবেই ৬ মাস ১ বছর চলতে থাকলে একটা ব্যবসা বা এজেন্সি দাঁড়িয়ে যাবে। 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top